অক্টোবর ৩, ২০২২ ১১:০৭ পূর্বাহ্ণ || ডেইলিলাইভনিউজ২৪.কম

বড় আন্দোলনে যেতে চায় বিএনপি

গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে ও তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনতে রাজপথে একটা বড় আন্দোলন করতে চাচ্ছে বিএনপি। এজন্য দলটি তাদের অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনগুলোতে পুনর্গঠনের কাজ শুরু করেছে। পাশাপাশি নেতা কর্মীদেরকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আন্দোলনের প্রস্তুতি নেয়ার জন্য বিভিন্ন সভা-সমাবেশে দিক-নির্দেশনাও দিচ্ছে।

কিন্তু আন্দোলনের জন্য সুনির্দিষ্ট কোন দিন ও তারিখ ঘোষণা করেনি। তবে দলটি বলছে, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলন ও সংগ্রাম শুরু হয়েছে। এজন্য জনগণ রাজপথে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। এখন শুধু বিএনপিকে দায়িত্ব নিতে নেবে। এই কাজটাই এখন বিএনপি করবে।

আন্দোলনের প্রসঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য মির্জা আব্বাস বলেন, যুদ্ধ ও সংগ্রামের মধ্যে দিয়ে আমরা গণতন্ত্র ফিরে আনবো। কিন্তু এই সময় আসবে না। বুকের রক্ত দিয়ে আমাদের তা আদায় করতে হবে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ভোটাধিকার ফিরে দেয়ার আন্দোলন শুরু হয়েছে। সেই আন্দোলনে আমাদের নেমে পড়তে হবে। আর এই সংগ্রামে আমাদেরকে জিততে হবে।

গত ১৪ বছর ধরে রাষ্ট্র ক্ষমতার বাইরে রয়েছে বিএনপি। এর মধ্যে শুধুমাত্র দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় ৯৩ দিন অবরোধ কর্মসূচি পালন করেছিল। পরে রাজপথে তেমন কোনো বড় ধরণের কর্মসূচি গড়ে তুলতে পারেনি দলটি।

তবে দলটি পুরোনো ব্যর্থতা ভুলে এবার নতুনভাবে ঘুরে দাঁড়াতে চায়। তাই দলটি সম্প্রতি রাজপথে আক্রমণাত্মক হয়ে পুলিশের সঙ্গে দুই দফা সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছে।

এবিষয়ে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান বলেন, ঢাকাসহ বাংলাদেশের ৮ বিভাগ বন্ধ করে দেয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কথায় আর দেশ চলবে না। দেশ চলবে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের কথায়। কারণ ৯০-এর চেতনায় আরেকটি গণঅভ্যুত্থান ঘটিয়ে আমরা খালেদা জিয়াকে প্রধানমন্ত্রী বানাবো।

চেয়ারপারসনের আরেক উপদেষ্টা আবদুস সালাম বলেন, ১৪ বছর অনেক সহ্য করেছি, অনেক ধৈর্য ধরেছি। আর নয়। জনগণ রাস্তায় নেমেছে। মামলা ও হামলা করে কোন লাভ হবে না। এখন এক দফার আন্দোলন শুরু করতে হবে।

এদিকে ২০০৬ থেকে রাষ্ট্র ক্ষমতার বাইরে থাকা বিএনপি যে ভেঙে যায়নি-এটাকেই দলের বড় সাফল্য হিসেবে দেখছেন নেতারা। দলটি বলছে, খালেদা জিয়া গৃহবন্দি এবং তারেক রহমান দেশের বাইরে থেকে দল পরিচালনা করছেন। এই অবস্থায় দল যে ভেঙে যায়নি এটাই সবচেয়ে বড় বিষয়। এরপরও দলটি নতুন করে শক্তি সঞ্চায় করে খালেদা জিয়াকে মুক্তি করতে এবং তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনতে রাজপথের আন্দোলনে নামতে চাচ্ছে।

এবিষয়ে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু বলেন, আজকে স্বাধীনতার বিকৃত ইতিহাস তারা প্রচার করছে। জিয়াউর রহমানের খেতাব কেড়ে নেওয়ার চক্রান্ত করছে। মিথ্যা বানোয়াট অভিযোগে করা মামলায় দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে অন্যায়ভাবে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাই বেগম জিয়ার মুক্তি, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট, গণতন্ত্র এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করে আন্দোলনে নামতে হবে। এজন্য নেতা কর্মীদের প্রস্তুতি নিতে হবে।

বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী বলেন, আন্দোলনের জন্য জনগণ রাজপথে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। এখন আমাদের সবাইকে দায়িত্ব নিতে হবে। এছাড়া আর কোন উপায় নেই। তাই আন্দোলনের জন্য আমাদেরকে প্রস্তুতি নিতে হবে এবং এই সরকারকে রুখে দিতে হবে।

Comments

comments

৫৪-তেও তার সৌন্দর্য-ফিটনেস চমকে দেয়ার মতো

“ঘর পাওয়া মানুষের হাসিই আমার কাছে ব “

বিয়ের জন্য পাত্রী খুঁজছেন শাকিব খান!

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!