সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২২ ১২:০১ অপরাহ্ণ || ডেইলিলাইভনিউজ২৪.কম

ফ্ল্যাটের চাবি পেল জলবায়ু উদ্বাস্তু ৬০০ পরিবার

৬শ জলবায়ু উদ্বাস্তু পরিবারকে ফ্ল্যাটের চাবি হস্তান্তর করা হয়েছে। শেখ হাসিনা আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর আওতায় বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী এর উদ্বোধন করেন। উদ্বোধন শেষে উপকারভোগীদের কাছে ফ্ল্যাটের চাবি হস্তান্তর করেন তিনি।

প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে ২০টি পাঁচতলা ভবনের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। সেখানে বিমানবন্দর সম্প্রসারণের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত জলবায়ু উদ্বাস্তু ৬০০ পরিবার নতুন ফ্ল্যাট পেল। কক্সবাজার সদরের খুরুশকুল ইউনিয়নের বাঁকখালী নদীর তীর ঘেঁষা বৃহৎ এ প্রকল্পে পর্যায়ক্রমে ৪ হাজার ৪৪৮টি পরিবার ফ্ল্যাট পাবে। ১৯৯১ সালের প্রলয়ংকারী ঘূর্ণিঝড় ও জ্বলোচ্ছাসে কক্সবাজারের উপকূলীয় এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। মহেশখালী কুতুবদিয়াসহ উপকূলের বিশাল এলাকা সমুদ্রে বিলীন হয়ে যায়।

এতে গৃহহারা হয় হাজার হাজার মানুষ। এসব মানুষ জীবনের তাগিদে আশ্রয় নেয় কক্সবাজার শহরের বিমানবন্দরের পশ্চিমে বালিয়াড়ী ও ঝাউবাগান এলাকায়, যা পরবর্তীতে কক্সবাজার পৌরসভার ১ নং ওয়ার্ডে রূপান্তরিত হয়। যেখানে বর্তমানে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ বসবাস করছে।

জলবায়ু উদ্বাস্তু এসব মানুষ ঝুকিপূর্ণ এলাকায় বসবাস করে আসছিল। বিশ্বমানের পর্যটন শিল্প বিকাশ ও ভৌগোলিক গুরুত্ব বিবেচনায় কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হচ্ছে। বিমানবন্দর সম্প্রসারণের লক্ষ্যে পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের কুতুবদিয়া পাড়া, নাজিরাটেক এবং সমিতি পাড়া এলাকার বিপুল পরিমাণ ভূমি অধিগ্রহণ করে সরকার। অধিগ্রহণের আওতায় পড়া জমিতে ৪ হাজার ৪০৯টি পরিবার বাস করতো। ২০১১ সালে ৩ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কক্সবাজারে এক জনসভায় এসব জলবায়ু উদ্বাস্তু পরিবারের জন্য পুনর্বাসনের নির্দেশনা দেন।

তারই প্রেক্ষিতে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে গ্রহণ করা হয় খুরুশকুল আশ্রয়ণ প্রকল্প, যার নাম দেয়া হয়েছে ‘শেখ হাসিনা আশ্রয়ণ প্রকল্প’। সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে প্রথমে ৫ তলাবিশিষ্ট ১৯টি ভবন নির্মাণ করা হয়েছে। এতে ৬০০ পরিবার নতুন ফ্ল্যাট পেল।

Comments

comments

সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী আর নেই

আকবর আলি খান আর নেই

রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ আর নেই

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!